গ্যাস সংকটে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ আশুগঞ্জ সার কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম
মেঘনা নদীর তীরে চার দশকের বেশি সময় আগে প্রতিষ্ঠিত আশুগঞ্জ সার কারখানায় বাণিজ্যিকভাবে ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয় ১৯৮৩ সালে। শুরুর দিকে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৬০০ টন সার উৎপাদন হলেও সময়ের সঙ্গে কমেছে কারখানাটির উৎপাদনক্ষমতা। বর্তমানে সর্বোচ্চ প্রায় ১ হাজার ১৫০ টন ইউরিয়া উৎপাদন করতে পারে প্রতিষ্ঠানটি।
গ্যাস সংকটের কারণে গত বছরের ১ মার্চ থেকে কারখানাটির ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ফলে দেশের বাজারে ডিলার ও কৃষকদের চাহিদা পূরণে বিদেশ থেকে আমদানি করা সারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
শ্রমিক-কর্মচারীদের অভিযোগ, কয়েক বছর ধরেই গ্যাস সংকটের কারণে বছরের দীর্ঘ সময় কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি ও প্ল্যান্টের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তারা জানান, প্রায় দেড় বছর ধরে গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকায় কারখানার শ্রমিক-কর্মচারীরা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। দ্রুত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করে কারখানাটি পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন শ্রমিকরা।
কবে নাগাদ গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছে।
আশুগঞ্জ সার কারখানার উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ উৎপাদন চালু করতে আগ্রহী। গ্যাসের দাম ২৯ টাকা হলেও নিয়মিত উৎপাদন চালু রাখা সম্ভব হলে কারখানাটি লাভজনকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রোডাকশন করতে চাই। গ্যাস ২৯ টাকা দেওয়ার পরও যদি প্রোডাকশনে থাকি, রাউন্ড দ্য ক্লক আমাদের লাভ হবে। আমাদের আর লুজিং কনসার্ন হবে না। দেশেরও লাভ হবে, আমাদেরও লাভ হবে। সব কারখানা বেঁচে থাকবে।’
কারখানাটিতে পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন চালু রাখতে প্রতিদিন প্রায় ৪৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। দ্রুত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করে উৎপাদন পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা।
হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া
নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com