সংগৃহীত
বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার সাবেক সম্পাদক নঈম নিজামসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলা বাতিল করে তাদের খালাসের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার দুপুরে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ সাইদুর রহমান এ আদেশ দেন।
খালাস পাওয়া অপর দুই ব্যক্তি হলেন—বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী এবং বাংলা ইনসাইডার পত্রিকার প্রধান সম্পাদক সৈয়দ বোরহান কবীর।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. জুয়েল মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলায় যেসব ধারা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে অন্তর্ভুক্ত না থাকায় মামলাটি বাতিল করা হয়েছে।
মামলার অন্যতম আসামি ময়নাল হোসেন চৌধুরীর পক্ষে আইনজীবী এনামুল হক আদালতে মামলা বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮-এর ২৫, ২৯ ও ৩৫ ধারাগুলো সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ৫০(৪ক) ধারা অনুযায়ী ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর গেজেটের মাধ্যমে বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এসব ধারায় আদালতে বিচারাধীন কোনো মামলার কার্যক্রম আর চলবে না। এ অবস্থায় আসামিদের খালাস দেওয়া আইনগতভাবে অপরিহার্য বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে ২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন বাদী হয়ে নঈম নিজামসহ সাতজনের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেন। সেদিন আদালত সিআইডিকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
মামলায় আরও যাদের আসামি করা হয়েছিল, তারা হলেন—ওয়েবসাইট ‘ভাইরাল প্রতিদিন’-এর অ্যাডমিন, বর্ণনাকারী, ভিডিও প্রস্তুতকারী ও টেকনিশিয়ান।
তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর সিআইডির উপপরিদর্শক তরিকুল ইসলাম তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় ‘নুসরাতকে দিয়ে বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের ফের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যা অনলাইন সংস্করণেও প্রচার করা হয়।
প্রতিবেদনে ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেনকে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে জড়িত বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয় এবং তাকে রাষ্ট্রবিরোধী গুজব ও অপপ্রচারের সঙ্গে যুক্ত একটি চক্রের অন্যতম হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এসব তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।
মামলায় ব্যারিস্টার সারোয়ার হোসেন দাবি করেন, তিনি নুসরাতের আইনজীবী নন; কেবল মামলার নারাজি আবেদনের শুনানিতে অংশ নিয়েছিলেন। পাশাপাশি ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বাংলা ইনসাইডার পত্রিকায় প্রকাশিত ‘কে এই সারোয়ার’ শিরোনামের একটি প্রতিবেদনের কথাও মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া অভিযোগে বলা হয়, ফেসবুক পেজ ‘ভাইরাল প্রতিদিন’-এ তাকে নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর লেখা প্রকাশ করা হয়েছিল।
৪র্থ তলা, হাউজ# ২৭, রোড# ১ ব্লক# এ বনশ্রী , রামপুরা, ঢাকা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া
নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
©️২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com