ঢাকা, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
নিউজ ডেস্ক :
প্রকাশিত : ১১:২৮ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
Digital Solutions Ltd

হাদি হত্যার পরিকল্পনাকারীরা জানাজার সামনের কাতারেই ছিল—ইনকিলাব মঞ্চ নেত্রী জুমা

প্রকাশিত : ১১:২৮ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক :

হাদি হত্যার পরিকল্পনাকারীরা জানাজার সামনের কাতারেই ছিল—ইনকিলাব মঞ্চ নেত্রী জুমা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার পেছনের পরিকল্পনাকারীরা তার জানাজা নামাজে উপস্থিত ছিলেন—এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মুখপাত্র ফাতিমা তাসনিম জুমা।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে জুমা লেখেন, হঠাৎ করেই মনে হয়—হাদি ভাইকে হত্যার নেপথ্যে যারা ছিল, তাদের কেউ কেউ হয়তো জানাজার সামনের দুই-তিন কাতারেই দাঁড়িয়ে ছিল। আমরা বুঝতে পারিনি, চিনতে পারিনি, কিছুই করতে পারিনি। সব ষড়যন্ত্র উন্মোচিত করার জন্য তিনি আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করেন।

ওই পোস্টের মন্তব্য অংশে তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার আদালতে মামলার শুনানি রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ যে চার্জশিট দিয়েছে তাতে কেবল মাসুদ ও বাপ্পিকে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ত হিসেবে দেখানো হয়েছে। তবে ঘটনার আগের পরিকল্পনা বা নেপথ্য ভূমিকার বিষয়ে কোনো তথ্য সেখানে নেই।

জুমা প্রশ্ন তুলে বলেন, প্রকৃত মাস্টারমাইন্ডদের শনাক্ত করা কি সম্ভব নয়, নাকি ইচ্ছাকৃতভাবেই তাদের আড়ালে রাখা হচ্ছে—তা তিনি বুঝতে পারছেন না। তিনি আরও বলেন, এসব ব্যক্তি কারা এবং কী ধরনের শক্তির অধিকারী যে তাদের কখনো সামনে আনা যায় না—এমন কথাই সবাইকে শুনতে হয়। প্রশ্ন রাখেন, তারা কি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়েও বেশি শক্তিশালী?

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। রিকশায় থাকা অবস্থায় তার মাথায় গুলি লাগে।

প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হলে সেখানে ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় পল্টন থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর প্রধান আসামি হিসেবে চিহ্নিত শ্যুটার ফয়সালের বাবা-মাকে গ্রেপ্তার করা হলেও মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার সহযোগী এখনো পলাতক রয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল, তারা ভারতে পালিয়ে গেছে। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি স্বীকার করা হয়।

রাজনীতি বিভাগের অন্যান্য খবর

 Somoyer Kotha
Follow Us

৪র্থ তলা, হাউজ# ২৭, রোড# ১ ব্লক# এ বনশ্রী , রামপুরা, ঢাকা।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া

নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

©️২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com