ঢাকা, ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নিউজ ডেস্ক :
প্রকাশিত : ০৭:৪৩ এএম, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Digital Solutions Ltd

সরকারি চাকরির ভাইভার নম্বর বাড়ানো নিয়ে হাসনাতের আপত্তি

প্রকাশিত : ০৭:৪৩ এএম, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি চাকরির ভাইভার নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন হাসনাত আবদুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক :

সরকারি কর্মচারী নিয়োগে গ্রেড ১১ থেকে ২০ পর্যন্ত পদে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ সিদ্ধান্তকে ‘আত্মঘাতী’ বলে মন্তব্য করেন। তার দাবি, ভাইভার নম্বর বাড়ানো হলে সরকারি চাকরির নিয়োগে লবিং, স্বজনপ্রীতি, ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সুযোগ বাড়তে পারে।

হাসনাত আবদুল্লাহ লিখেছেন, দীর্ঘদিন ধরে লিখিত পরীক্ষায় মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন বাড়ানো এবং ভাইভার প্রভাব কমানোর দাবি থাকলেও প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় তার বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে। এতে মেধাবী প্রার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি নিয়োগব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা কমতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

তার বক্তব্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় গ্রেড ১১–১২-এর পদে লিখিত পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের বিপরীতে ভাইভায় থাকবে ৫০ নম্বর। গ্রেড ১৩–১৬-তে ভাইভার নম্বর ৪০ এবং গ্রেড ১৭–২০-তে ২৫।

হাসনাতের ভাষ্য, লিখিত পরীক্ষা তুলনামূলকভাবে নির্দিষ্ট ও বস্তুনিষ্ঠ পদ্ধতিতে নেওয়া হয়। অন্যদিকে ভাইভায় পরীক্ষকের মূল্যায়নের বিষয়টি তুলনামূলকভাবে ব্যক্তিনির্ভর হওয়ায় ভাইভার নম্বর যত বাড়বে, নিয়োগ বোর্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগও তত বাড়বে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় ভালো ফল করার পরও যদি ভাইভায় প্রভাব, পরিচিতি বা অর্থের কারণে পিছিয়ে পড়েন, তাহলে মেধাভিত্তিক নিয়োগের উদ্দেশ্য কতটা পূরণ হবে।

‘ভাইভা বাতিলের কথা বলছি না’

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, তারা ভাইভা বাতিলের দাবি করছেন না। বরং ভাইভা পদ্ধতিকে আরও কাঠামোবদ্ধ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার প্রয়োজন রয়েছে।

তার প্রস্তাব, ভাইভায় নির্দিষ্ট রুব্রিক বা মূল্যায়ন কাঠামো থাকতে হবে এবং পরীক্ষকদের মূল্যায়নের জন্য সুস্পষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে নিয়োগ বোর্ডের ‘unchecked discretion’ বা অনিয়ন্ত্রিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ কমানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, গ্রেড ১১ থেকে ২০-এর সরকারি কর্মচারীরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কাজ করেন। ফলে এ পর্যায়ের নিয়োগে রাজনৈতিক বিবেচনা বা পক্ষপাতের সুযোগ তৈরি হলে সরকারি সেবা ব্যবস্থায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

হাসনাতের মতে, সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক পরিচয় বা আনুগত্যের পরিবর্তে মেধা ও যোগ্যতাকেই প্রধান ভিত্তি করা উচিত।

ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, এমন কোনো ব্যবস্থা কাম্য নয় যেখানে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর একজন প্রার্থীকে ভাইভার নম্বরের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করতে হয়। এ প্রসঙ্গে তিনি পুরোনো রাজনৈতিক প্রভাবের সংস্কৃতি ফিরে আসার আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

রাজনীতি বিভাগের অন্যান্য খবর

 Somoyer Kotha
Follow Us

হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া

নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com