হোসেনপুরে বরের গাড়ি থামিয়ে নববধূকে তুলে নেওয়ার অভিযোগের পর ভিডিও বার্তায় নিজের অবস্থান জানান তামান্না।
বাড়িয়া গ্রামের আক্তার মিয়ার (২৮) বিয়ে হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নববধূকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন বর ও বরযাত্রীরা।
হাজিপুর বাজার এলাকায় পৌঁছালে ২০ থেকে ২৫ জন যুবক মাইক্রোবাসটির গতিরোধ করেন বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের ভাষ্য, আতিকুর রহমান মিয়াদের নেতৃত্বে ওই যুবকেরা গাড়িটি থামান। পরে গাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে তামান্নাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার পর তামান্না ও আতিকুর রহমান মিয়াদের পূর্বের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টিও সামনে আসে। স্থানীয়দের দাবি, তাদের মধ্যে আগে থেকেই সম্পর্ক ছিল। তবে এ দাবির স্বাধীন কোনো যাচাই পাওয়া যায়নি।
এদিকে ঘটনার পর আতিকুর রহমান মিয়াদ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লেখেন, ‘জীবনে আর কিছু চাওয়ার নাই..।’
তবে সোমবারের ভিডিও বার্তায় তামান্নার বক্তব্যে ঘটনার বিষয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমি যেমনেই আইছি, জোর কইরা হউক, নিজের ইচ্ছায় হউক, যেমনেই হউক। আইছিতো আইছিই। এহন যদি যাইগাও, গেলেও তো আমার মান-সম্মান ফিরা আইতো না, আমার বাপ-মার মান-সম্মানও ফিরা আইতো না। গেইলেও কোনো লাভ নাই। আমি আইছি, এনেই থাকবাম।’
এ বিষয়ে হোসেনপুর থানার ওসি রাশেদুল ইসলাম জানান, ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। কারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং কীভাবে নববধূকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, তামান্না বর্তমানে কোথায় রয়েছেন, তাকে কীভাবে সেখানে নেওয়া হয়েছে এবং তিনি স্বেচ্ছায় গেছেন নাকি জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়া হয়েছে—এসব বিষয় এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। তামান্নার অবস্থান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের পর ঘটনার প্রকৃত চিত্র আরও পরিষ্কার হবে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত আতিকুর রহমান মিয়াদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটিও বন্ধ রয়েছে।
হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া
নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com