ম্যাকারার বিপক্ষে সান্তোসের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন নেইমার
একের পর এক ফাউলের শিকার হয়েছেন। তবু থামানো যায়নি নেইমারকে। তাঁর নৈপুণ্যে কোপা সুদামেরিকানার শেষ ষোলোর লড়াইয়ে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে সান্তোস।
বৃহস্পতিবার ভিলা বেলমিরোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। নেইমারের জোড়া অ্যাসিস্ট এবং উইলিয়ান আরানোর জয়সূচক গোলে ম্যাকারাকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে সান্তোস।
ম্যাচের শুরুতেই ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। মাত্র তৃতীয় মিনিটে দারুণ এক গোল করে ম্যাকারাকে এগিয়ে দেন পসে। গোল হজমের পর দ্রুত সমতায় ফেরার চেষ্টা করে সান্তোস।
প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে সেই সুযোগ এনে দেন নেইমার। গ্যাব্রিয়েল বারবোসা ‘গাবিগোল’-কে লক্ষ্য করে নিখুঁত পাস বাড়ান তিনি। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে গোল করে সান্তোসকে সমতায় ফেরান গাবিগোল।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে সান্তোস। প্রতিপক্ষের ওপর ধারাবাহিক চাপ তৈরি করলেও অন্তত দুটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
অবশেষে ৭৬ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। নেইমারের নেওয়া কর্নার কিক থেকে বল পেয়ে দারুণ হেডে গোল করেন উইলিয়ান। তাঁর গোলেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সান্তোস এবং শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধান ধরে রেখেই জয় নিশ্চিত করে।
এই জয়ের ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হয়েছে সান্তোসের। আগামী বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ইকুয়েডরে ফিরতি লেগে ম্যাকারার মুখোমুখি হবে তারা। ওই ম্যাচে ড্র করতে পারলেই কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করবে ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটি।
ম্যাচ শেষে নেইমারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সান্তোস কোচ কুকা। তিনি জানান, কঠিন ম্যাচেও নেইমার দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
কুকা বলেন, নেইমার খুব কঠিন একটি ম্যাচে দারুণ খেলেছেন। প্রতিপক্ষ তাঁকে ২১ বার ফাউল করেছে, যা অনেক বেশি। তিনি দলের প্রধান খেলোয়াড় হওয়ায় প্রতিপক্ষের মূল লক্ষ্য ছিলেন।
কোচের মতে, নেইমার শুধু আক্রমণেই নয়, বল দখল, গতি বাড়ানো এবং সতীর্থদের সুযোগ তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দলের জয়ে তাঁর অবদান ছিল অসাধারণ।
হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া
নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com