ঢাকা, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬
নিউজ ডেস্ক :
প্রকাশিত : ১২:১৮ এএম, ১২ জানুয়ারি ২০২৬
Digital Solutions Ltd

আহতদের খোঁজ না পেয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ

প্রকাশিত : ১২:১৮ এএম, ১২ জানুয়ারি ২০২৬

সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক :

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ধানমন্ডিতে সংঘটিত একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় ‘আহতদের অস্তিত্ব না পাওয়ার’ কারণ দেখিয়ে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনের বিরুদ্ধে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মামলার তদন্ত শেষে পিবিআই পরিদর্শক শাহজাহান ভূঞাঁ গত ৫ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে ‘তথ্যগত অসংগতি ও ভুক্তভোগীদের সন্ধান না পাওয়ার’ বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। মামলাটির পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি।

এই মামলার আসামিদের তালিকায় রয়েছেন— শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, মোহাম্মদ এ আরাফাত, জুনাইদ আহমেদ পলক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মাহবুব উল আলম হানিফ, শামীম ওসমান, ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানসহ মোট ১১৩ জন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডি থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ৪ আগস্ট সীমান্ত স্কয়ার এলাকা থেকে বাসায় ফেরার পথে ধানমন্ডি ২৭ নম্বর এলাকায় মীনা বাজারের সামনে গুলিবিদ্ধ হন সাহেদ আলী। এ সময় ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীসহ মোট নয়জন আহত হন বলে দাবি করা হয়।

ঘটনার পর সাহেদ আলীর কথিত ভাই শরীফ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। প্রাথমিক তদন্তে থানা পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করে। পরে মামলার তদন্তভার পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তদন্তকালে পিবিআই জানায়, ভুক্তভোগী সাহেদ আলীসহ আহতদের সন্ধানে সীমান্ত স্কয়ার মার্কেট, ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ এবং আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিঠি পাঠানো হয়। বাদীকেও একাধিকবার নোটিশ দিয়ে আহত ব্যক্তিদের হাজির করতে বলা হয়। তবে এতে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

এছাড়া বাদীর দেওয়া ঠিকানায় নোটিশ পাঠানো হলেও বাড়িওয়ালা জানান, ওই ঠিকানায় শরীফ নামে কেউ বসবাস করেন না। জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে জানা যায়, বাদীর প্রকৃত নাম শরিফুল ইসলাম, পিতা সিরাজুল ইসলাম, বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারী এলাকায়। তবে স্থানীয়দের কেউ তাকে চিনতে পারেননি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাদীর মোবাইল নম্বর অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকত। মাঝে মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ হলেও তিনি আহত ব্যক্তিকে হাজির করতে কিংবা চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র সরবরাহ করতে ব্যর্থ হন। এমনকি এজাহারেও চিকিৎসার কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

এই প্রেক্ষাপটে তদন্ত কর্মকর্তা মামলার অভিযোগ প্রমাণে পর্যাপ্ত উপাদান না পাওয়ায় শেখ হাসিনাসহ সব আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন।

আইন-আদালত বিভাগের অন্যান্য খবর

 Somoyer Kotha
Follow Us

৪র্থ তলা, হাউজ# ২৭, রোড# ১ ব্লক# এ বনশ্রী , রামপুরা, ঢাকা।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া

নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

©️২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com