ঢাকা, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬
নিউজ ডেস্ক :
প্রকাশিত : ০৮:৪৮ এএম, ১২ জানুয়ারি ২০২৬
Digital Solutions Ltd

ধানমন্ডির হত্যাচেষ্টা মামলা: শেখ হাসিনা ও জয়সহ ১১৩ জনের অব্যাহতির সুপারিশ পিবিআইয়ের

প্রকাশিত : ০৮:৪৮ এএম, ১২ জানুয়ারি ২০২৬

সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক :

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়সহ মোট ১১৩ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সম্প্রতি এ বিষয়ে আদালতে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ধানমন্ডি থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, পিবিআইয়ের পক্ষ থেকে মামলার সব আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। এ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মামলার পটভূমি

মামলা সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ৪ আগস্ট ধানমন্ডির সীমান্ত স্কয়ার এলাকা থেকে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে ধানমন্ডি-২৭ নম্বরে সাহেদ আলী আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ মোট ৯ জন আহত হন—এমন দাবি করা হয় মামলায়।

এই ঘটনায় সাহেদের ভাই পরিচয়ে শরীফ নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে শেখ হাসিনাসহ ১১৩ জনকে আসামি করে ধানমন্ডি থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। মামলার তদন্তকালে থানা-পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছিল।

পিবিআইয়ের তদন্তে কী উঠে এসেছে

মামলাটি তদন্ত করেন পিবিআইয়ের পরিদর্শক (তদন্ত) শাহজাহান ভূঞাঁ। তদন্ত প্রতিবেদনে তথ্যগত অসঙ্গতির কথা উল্লেখ করে সব আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, জুলাই আন্দোলনে আহতদের নিয়ে সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হলেও এ মামলায় যাদের আহত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের কারও নাম সেই গেজেটে পাওয়া যায়নি।

এজাহারে আহত হিসেবে উল্লেখ করা হয়—সাহেদ আলী, রাশেদ, জুয়েল, মাহমুদ, নাহিদ, রাসেল, মিরাজ, জান্নাতুল ফেরদৌস নাঈমা, আইশ আক্তার ও সাম্মি আক্তারের নাম। তবে বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে এ ধরনের কোনো আহত ব্যক্তির অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদী সম্পর্কেও জটিলতা

তদন্তে আরও বলা হয়, মামলার বাদী শরীফের তথ্য যাচাই করতে হাজারীবাগে তার ভাড়া বাসায় নোটিশ পাঠানো হলেও বাড়িওয়ালা জানান, সেখানে শরীফ নামে কেউ থাকেন না।

পরবর্তীতে জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করে জানা যায়, বাদীর প্রকৃত নাম শরিফুল ইসলাম। তিনি লক্ষ্মীপুর সদরের ১৪ নম্বর মান্দারী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তবে সেখানেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তার মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায় এবং হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করলে অনিয়মিত সাড়া পাওয়া যায়। একপর্যায়ে তিনি ধানমন্ডি লেক এলাকায় তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেও ভুক্তভোগী হাজির করা কিংবা চিকিৎসা-সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র সরবরাহ করেননি।

এছাড়া মামলার কোনো সাক্ষীকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ভবিষ্যতে যদি আহতদের বিষয়ে কোনো নতুন তথ্য পাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে অভিযোগপত্র দাখিল করা হতে পারে।

আইন-আদালত বিভাগের অন্যান্য খবর

 Somoyer Kotha
Follow Us

৪র্থ তলা, হাউজ# ২৭, রোড# ১ ব্লক# এ বনশ্রী , রামপুরা, ঢাকা।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া

নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

©️২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com