ঢাকা, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
নিউজ ডেস্ক :
প্রকাশিত : ১২:৪২ এএম, ০১ জুলাই ২০২৬
Digital Solutions Ltd

হোটেলের ভাড়া বকেয়া রেখে চলে যাওয়ার অভিযোগ, এনসিপির কয়েক নেতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ

প্রকাশিত : ১২:৪২ এএম, ০১ জুলাই ২০২৬

সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক :

রাজধানীর একটি আবাসিক হোটেলের দুটি কক্ষ দীর্ঘ সময় ব্যবহার করে ভাড়া পরিশোধ না করার অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

হোটেল ইয়ামেনী ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড কর্তৃপক্ষের দাবি, রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির দুটি কক্ষ প্রায় আট মাস ব্যবহার করা হলেও নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ করা হয়নি। তাদের হিসাব অনুযায়ী, মোট বকেয়া ভাড়ার পরিমাণ প্রায় ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২০০ টাকা

অভিযোগে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট নেতারা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কক্ষ ভাড়া নেন এবং প্রাথমিকভাবে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম দিলেও পরবর্তীতে আর কোনো অর্থ পরিশোধ করেননি। নির্ধারিত সময় শেষে তারা কক্ষ ছেড়ে চলে যান বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

হোটেল কর্তৃপক্ষের অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন— ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার, সাদেক মির্জা, মিরাসাত হোসেন হিমেল, শাখাওয়াত হোসেন এবং তাওসীপ

অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, হোটেলে অবস্থানকালে ওই কক্ষগুলোতে বিভিন্ন ব্যক্তির নিয়মিত যাতায়াত ছিল। হোটেল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু কর্মকাণ্ড তাদের প্রতিষ্ঠানের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। এ-সংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষিত রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

হোটেলটির হিসাব বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ কাজল জানান, একাধিকবার বকেয়া ভাড়া আদায়ের চেষ্টা করা হলেও আশ্বাস ছাড়া অর্থ পাওয়া যায়নি। পরে কক্ষগুলো খালি অবস্থায় পাওয়া গেলে নতুন করে তালা লাগিয়ে অন্য গ্রাহকদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে অভিযোগের জবাবে এনসিপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার এস এম শাহরিয়ার বলেন, হোটেলের ভাড়া সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি অবগত নন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আনা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি।

সাদেক মির্জা বলেন, আন্দোলনের সময় তিনি কয়েকবার সেখানে গিয়েছিলেন এবং মাঝে মধ্যে রাতেও অবস্থান করেছেন। তবে কক্ষ ভাড়া বা আর্থিক বিষয়টি তার দায়িত্বে ছিল না বলে দাবি করেন।

শাখাওয়াত হোসেনও বলেন, কক্ষ ভাড়ার চুক্তি তার নামে হয়নি। তাই অর্থ পরিশোধের বিষয়েও তিনি কিছু জানেন না। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, বিভিন্ন সময়ে সেখানে একাধিক নেতা অবস্থান করতেন।

অন্যদিকে মিরাসাত হোসেন হিমেল বলেন, হোটেলটিতে যাওয়ার বিষয়টি তার মনে নেই এবং অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানলে পরে মন্তব্য করবেন।

এ বিষয়ে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানান, অভিযোগটি সংগঠনের শৃঙ্খলা কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দলীয় পর্যায়ে সমাধান না হলে তারা আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি বিষয়টি জনসমক্ষে তুলে ধরার উদ্যোগ নেবে।

রাজনীতি বিভাগের অন্যান্য খবর

 Somoyer Kotha
Follow Us

হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া

নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com