গাজার আহত ও অঙ্গহারা শিশুদের জন্য পাঠানো হুইলচেয়ার। ছবি: সংগৃহীত
গাজার আহত ও অঙ্গহারা শিশুদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার দুটি দাতব্য সংস্থার পাঠানো ৯০০টির বেশি হুইলচেয়ার জর্ডানে আটকে আছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না পাওয়ায় ২০২৫ সাল থেকে এসব হুইলচেয়ার গাজায় প্রবেশ করতে পারেনি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো।
কিডস অন হুইলস অ্যালায়েন্সের দুটি চালান ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে জর্ডানে পৌঁছায়। একই বছরের অক্টোবরে আরও একটি চালান পাঠায় হুইলচেয়ারস ফর কিডস অস্ট্রেলিয়া। বর্তমানে এসব হুইলচেয়ার জর্ডান হাশেমাইট চ্যারিটি অর্গানাইজেশনের একটি গুদামে রাখা হয়েছে।
সংস্থাগুলো জানায়, গাজায় ত্রাণ ও সহায়তা প্রবেশের অনুমোদন তদারককারী ইসরায়েলি সংস্থা কো-অর্ডিনেশন অব গভর্নমেন্ট অ্যাক্টিভিটিজ ইন দ্য টেরিটরিজ (সিওজিএটি)-এর কাছে হুইলচেয়ারগুলো গাজায় পাঠানোর অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। তবে সেই আবেদন অনুমোদন করা হয়নি। পরে আবেদনের অবস্থা ‘পেন্ডিং’ হিসেবে দেখানো হয়।
কিডস অন হুইলস অ্যালায়েন্সের চেয়ারম্যান শাওকুয়েট মোসেলমানে বলেন, হুইলচেয়ারগুলো শিশু ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। এগুলো আটকে রাখার গ্রহণযোগ্য কোনো কারণ তাদের জানানো হয়নি। বিষয়টি সমাধানে সংগঠনটি অস্ট্রেলিয়ার আইনপ্রণেতা ও সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে।
কয়েকটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ হুইলচেয়ারগুলোকে সম্ভাব্য ‘ডুয়াল-ইউজ’ বা সামরিক ও বেসামরিক উভয় কাজে ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী হিসেবে বিবেচনা করেছে। তবে এ বিষয়ে সিওজিএটি নতুন করে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি। এর আগে সংস্থাটি জানিয়েছিল, হাজারো হুইলচেয়ার গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
হুইলচেয়ারস ফর কিডস জানিয়েছে, তাদের পাঠানো হুইলচেয়ারগুলো ধ্বংসস্তূপে ভরা পথেও চলাচলের উপযোগী। পাশাপাশি শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায় এসব বিশেষায়িত হুইলচেয়ার।
সূত্র: দ্য নিউ আরব
হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া
নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com