ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
প্রকাশিত : ০৬:০৯ এএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Digital Solutions Ltd

গ্রেটার নয়ডায় বাসে আগুনে মা-ছেলেসহ নিহত ৯, মাকে ফেলে যাননি শশাঙ্ক

প্রকাশিত : ০৬:০৯ এএম, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্রেটার নয়ডায় যাত্রীবাহী বাসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ভারতের গ্রেটার নয়ডায় যাত্রীবাহী বাসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মা-ছেলেসহ নয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মহোবার ৪৭ বছর বয়সী সুনীতা গুপ্ত ও তাঁর ২৮ বছর বয়সী ছেলে শশাঙ্ক।

শশাঙ্ক কর্মসূত্রে হরিয়ানার গুরুগ্রামে থাকতেন। তিনি ইন্ডিগোতে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করতেন। প্রায় এক মাস আগে চিকিৎসার জন্য ছেলের কাছে যান সুনীতা। তাঁর হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হয়েছিল। সম্প্রতি শশাঙ্কের কাকা হৃদরোগে আক্রান্ত হলে মাকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ট্রেনের টিকিট না পাওয়ায় তাঁরা একটি এসি বাসের টিকিট কাটেন। মায়ের সুবিধার কথা বিবেচনা করে বাসের পেছনের দিকে আসন বুক করেছিলেন শশাঙ্ক।

বুধবার রাতে দিল্লির কাশ্মীরি গেট থেকে বাসটিতে ওঠেন মা-ছেলে। যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যাওয়ার সময় জেবরের দয়ানতপুর এলাকায় ৩৩ কিলোমিটার মার্কারের কাছে বাসটিতে আগুন ধরে যায়। বাসটিতে দুই চালক ও একজন কন্ডাক্টরসহ মোট ৩৫ জন যাত্রী ছিলেন।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বাসটির চালকের কেবিন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে তদন্তে বাসটির দুটি জরুরি নির্গমনপথ বন্ধ অবস্থায় পাওয়া যায় বলে জানা গেছে।

আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেকে জানালার কাচ ভেঙে বাইরে বেরিয়ে আসেন। স্থানীয়দের সহায়তায় ২৬ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে বাসের পেছনের দিকে থাকা শশাঙ্ক ও সুনীতা আটকা পড়েন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, আগুন ছড়িয়ে পড়ার পর শশাঙ্ক মাকে নিয়ে বাস থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু হাঁটুর অস্ত্রোপচারের কারণে দ্রুত চলতে পারছিলেন না সুনীতা। এ সময় বাসের ভেতর ধোঁয়া বাড়তে থাকে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বাইরে থেকে দ্রুত বের হয়ে আসার জন্য যাত্রীরা চিৎকার করলেও শশাঙ্ক মাকে ফেলে বের হননি। তিনি মাকে নিয়েই বের হওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ধোঁয়ায় জ্ঞান হারিয়ে বাসের ভেতরেই মা-ছেলের মৃত্যু হয়।

শুক্রবার পরিবারের সদস্যরা সুনীতা ও শশাঙ্কের মরদেহ শনাক্ত করেন। সুনীতার উচ্চতা এবং শশাঙ্কের হাতে থাকা আংটি দেখে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

মহোবার চরখড়ির বাড়িতে রয়েছেন শশাঙ্কের বাবা নীরজ গুপ্ত ও ছোট ভাই নিখিল। নিখিল বর্তমানে কলেজে পড়াশোনা করছেন।

আন্তর্জাতিক বিভাগের অন্যান্য খবর

 Somoyer Kotha
Follow Us

হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া

নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com