ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নিউজ ডেস্ক :
প্রকাশিত : ০১:১৯ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Digital Solutions Ltd

ভরা মৌসুমেও ইলিশের সংকট, চাঁদপুরে কেজি ২৮০০ টাকা

প্রকাশিত : ০১:১৯ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চাঁদপুরের বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক :

ইলিশের ভরা মৌসুম চলছে। তবে চাঁদপুরের নদীতে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ছে না। সরবরাহ কম থাকায় জেলার বিভিন্ন মাছের আড়ত ও বাজারে বেড়েছে জাতীয় মাছটির দাম। এক কেজি ওজনের ইলিশ কিনতে ক্রেতাকে গুনতে হচ্ছে ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকের নাগালের বাইরে চলে গেছে ইলিশ।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চাঁদপুরের বড়স্টেশন মাছের আড়তে গিয়ে দেখা যায়, বড় আকারের ইলিশের সরবরাহ তুলনামূলক কম। ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকায়। আর ছোট আকারের ইলিশের দাম পড়ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা।

চাঁদপুর সদর ছাড়াও মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, হাইমচর ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মাছের বাজারেও ইলিশের দাম চড়া বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

মৎস্য ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, নদী থেকে ইলিশের সরবরাহ কমে যাওয়াই দাম বাড়ার অন্যতম কারণ। আড়তে মাছের পরিমাণ কম হলেও ক্রেতাদের চাহিদা রয়েছে। ফলে সরবরাহ ও চাহিদার ব্যবধানের কারণে ইলিশের দাম বেড়েছে।

শুধু বাজারেই নয়, নদীতেও ইলিশের সংকটের কথা জানিয়েছেন জেলেরা। তাদের দাবি, আগের মতো জালে ইলিশ ধরা পড়ছে না। অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা নদীতে অবস্থান করেও আশানুরূপ মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে মাছ ধরতে প্রতিদিন নৌকার জ্বালানি, শ্রমিক, বরফ ও খাবারের পেছনে খরচ করতে হচ্ছে জেলেদের। মাছ কম পাওয়ায় অনেকেই লোকসানে পড়ছেন। কেউ কেউ পেশা পরিবর্তনের কথাও ভাবছেন।

এক জেলে বলেন, নদীতে মাছ না থাকলে জেলেদের কষ্ট বেড়ে যায়। জাল ফেলতে যে খরচ হয়, অনেক সময় সেই টাকাও ওঠে না। মাছ পেলে সংসার চলে, না পেলে ধারদেনা করতে হয়। কিস্তি ও মহাজনের ঋণের টাকা পরিশোধ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

ক্রেতারাও ইলিশের দাম নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছেন। তাদের মতে, এক কেজি ইলিশের দাম আড়াই হাজার টাকার বেশি হওয়ায় অনেক পরিবারের পক্ষে এই মাছ কেনা কঠিন। একই টাকায় কয়েক কেজি আলু বা অন্য মাছ কেনা সম্ভব।

মৎস্য ব্যবসায়ীরা বলছেন, নদীতে ইলিশের সরবরাহ বাড়লে বাজারে দামও কমতে পারে। তবে কবে নাগাদ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না তারা।

মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। জাটকা সংরক্ষণ, নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা বন্ধ এবং অবৈধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নদীতে ইলিশের বিচরণ ও সরবরাহ বাড়লে বাজারে দামও স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশ বিভাগের অন্যান্য খবর

 Somoyer Kotha
Follow Us

হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া

নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com