পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে সোনা-রুপাসমৃদ্ধ খনিজ স্তূপের সন্ধান পেয়েছেন চীনের বিজ্ঞানীরা।
পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে সোনা ও রুপাসহ মূল্যবান খনিজসমৃদ্ধ বিশাল এক সম্পদের সন্ধান পেয়েছেন চীনের বিজ্ঞানীরা। দেশটির কয়েকটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের যৌথ সমুদ্র অভিযানে এই খনিজ স্তূপের সন্ধান পাওয়া যায়।
চীনের সিংহুয়া ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট ফর ওশেন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভাইস-ডিন ও প্রকল্পের অন্যতম প্রধান বিজ্ঞানী সং শিজি জানান, আবিষ্কৃত খনিজ সম্পদের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রতি টন আকরিতে সর্বোচ্চ ১৫ দশমিক ৪ গ্রাম সোনা এবং ১ দশমিক ২৭ কেজি পর্যন্ত রুপা রয়েছে। গবেষকদের দাবি, ভূপৃষ্ঠের অনেক খনির তুলনায় এ ঘনত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
গত ১০ আগস্ট শেনজেন থেকে চীনের নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত গবেষণা জাহাজ ‘শিয়াং ইয়াং হং ১০’-এ করে অভিযান শুরু হয়। এতে কিংদাও ইনস্টিটিউট অব মেরিন জিওলজি ও সাংহাই জিয়াও টং ইউনিভার্সিটির গবেষকরাও অংশ নেন। ১৮ দিনের অভিযানে বিজ্ঞানীরা সাতবার গভীর সমুদ্রে ডুব দিয়ে তথ্য ও নমুনা সংগ্রহ করেন।
সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের আওতাধীন পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের একটি ব্যাক-আর্ক বেসিনে খনিজ সম্পদের অবস্থান শনাক্ত হয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ৭০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মিটার গভীরে এই ধরনের খনিজ স্তূপ তৈরি হয়।
বিজ্ঞানীরা জানান, সমুদ্রের গভীর তলদেশ থেকে উঠে আসা অত্যন্ত উত্তপ্ত ও খনিজসমৃদ্ধ পানি ঠান্ডা সমুদ্রের পানির সংস্পর্শে এলে দ্রুত শীতল হয়ে হাইড্রোথার্মাল সালফাইড আকরিক তৈরি হয়। নতুন আবিষ্কৃত এলাকায় তিনটি বড় শঙ্কু আকৃতির সালফাইড স্তূপ রয়েছে। এগুলোতে চ্যালকোপাইরাইট, পাইরাইট ও স্ক্যালেরাইটের মতো অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পাওয়া গেছে।
অভিযানে খনিজ সম্পদের পাশাপাশি গভীর সমুদ্রের কঠিন পরিবেশে টিকে থাকা বিশেষ ধরনের জীববৈচিত্র্যেরও সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এসব প্রাণ ও তাদের অভিযোজন নিয়ে গবেষণা চরম পরিবেশে জীবনের অস্তিত্ব সম্পর্কে নতুন ধারণা দিতে পারে।
হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া
নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com