আখাউড়ার কেল্লা বাবার মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা করা হচ্ছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার খড়মপুর শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহ.) ওরফে শাহ পীর কেল্লা বাবার মাজারের চারটি দানবাক্স খুলে পাওয়া গেছে ১২ বস্তা টাকা। গণনা শেষে এসব দানবাক্সে নগদ ১ কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা পাওয়া গেছে।
নগদ অর্থের পাশাপাশি দানবাক্সগুলো থেকে সোনা-রুপা এবং বিভিন্ন দেশের বিদেশি মুদ্রাও পাওয়া গেছে। এসবের হিসাব আলাদাভাবে করা হচ্ছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল থেকে দানবাক্স খোলা ও টাকা গণনার কাজ শুরু হয়। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোররাত পর্যন্ত চলে এ কার্যক্রম। এতে সোনালী ব্যাংকের প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তা এবং মাজার শরীফ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবক অংশ নেন।
মাজার পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ওরস উপলক্ষে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ভক্ত-আশেকানরা চারটি দানবাক্সে নগদ অর্থের পাশাপাশি সোনা, রুপা ও বিদেশি মুদ্রা দান করেন। পাওয়া সোনা-রুপা ও বিদেশি মুদ্রা পৃথকভাবে সংরক্ষণ করে হিসাব করা হচ্ছে।
এ ছাড়া মাজার প্রাঙ্গণে ভক্তদের দেওয়া বিভিন্ন পশুপাখি ও অন্যান্য সামগ্রীর হিসাবও করা হচ্ছে। এসব সামগ্রী মাজার কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
কেল্লা বাবার মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খাদেম মিন্টু জানান, গত ১০ আগস্ট থেকে মাজারে সাত দিনব্যাপী ওরস শুরু হয়। ১৬ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত ওরসের আনুষ্ঠানিকতা চলে। এ সময় দেশ-বিদেশ থেকে আসা ভক্তরা দানবাক্সগুলোতে অর্থ, সোনা-রুপা ও বিদেশি মুদ্রা দেন।
মাজার পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি ও আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, চারটি দানবাক্সের টাকা গণনা শেষে ১ কোটি ৩ লাখ ৬৫১ টাকা পাওয়া গেছে। দানবাক্সে পাওয়া সোনা-রুপা ও বিদেশি মুদ্রার হিসাবও করা হচ্ছে। সবকিছুর হিসাব শেষ হলে মাজারের সার্বিক আয়-ব্যয়ের তথ্য জানানো হবে।
হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া
নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com