মাগুরার শ্রীপুরে স্কুল ফিডিংয়ের বনরুটির ভেতর ব্লেড পাওয়ার অভিযোগ
মাগুরার শ্রীপুরে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় বিতরণ করা বনরুটির ভেতর ধারালো ব্লেড পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার হরিন্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী ও তার বোন রুটি ভাগ করে খাওয়ার সময় ব্লেডটি দেখতে পায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর শিশুদের খাবারের নিরাপত্তা এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে উপজেলা শিক্ষা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
জানা গেছে, গত ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার হরিন্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় পাওয়া বনরুটি বাড়িতে নিয়ে যায় চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসনিম অর্চি। রাতে ছোট বোনের সঙ্গে রুটিটি ভাগ করে খাওয়ার সময় মাঝ বরাবর একটি ধারালো ব্লেড দেখতে পায় বলে পরিবারের দাবি।
শিক্ষার্থীর মা বিলকিস আক্তার লিজা বলেন, রুটি ছেঁড়ার সময় ভেতরে একটি আস্ত ব্লেড দেখতে পান তাঁরা। পরে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানোর পর রোববার রুটিটি নিয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষিকাকে দেখানো হয়। শিশুদের খাবারের মধ্যে এমন বিপজ্জনক বস্তু পাওয়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন বলেও জানান তিনি।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক প্রবীর চক্রবর্তী বলেন, ৯ আগস্ট এক অভিভাবক বিদ্যালয়ে রুটিটি এনে দেখান। রুটির মাঝ বরাবর একটি আস্ত ব্লেড ছিল। পরে বিষয়টি প্রধান শিক্ষিকাকে জানানো হয়।
প্রধান শিক্ষিকা আফরোজা শিরিন বলেন, ঘটনার দিন তিনি ছুটিতে ছিলেন। পরে বিদ্যালয়ে ফিরে শিক্ষার্থী ও তার অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁদের অভিযোগ এবং রুটির ছবি তুলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
খামারপাড়া ক্লাস্টারের দায়িত্বে থাকা সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোমিনুর রহমান বলেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।
তবে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, এমন কোনো ঘটনা তাঁদের জানানো হয়নি। বিষয়টি তাঁর জানা নেই বলেও জানান তিনি।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ বলেন, বৃহস্পতিবার বিষয়টি জানতে পেরেছেন। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি আগে অবগত ছিলেন না। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন।
হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া
নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com