ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
প্রকাশিত : ০৭:১৪ এএম, ১৭ আগস্ট ২০২৬
Digital Solutions Ltd

ড্রেন খনন করতে গিয়ে মিলল ১২৭ কোটি টাকার সোনা ও প্রাচীন মুদ্রা

প্রকাশিত : ০৭:১৪ এএম, ১৭ আগস্ট ২০২৬

ড্রেন খনন করতে গিয়ে মিলল ১২৭ কোটি টাকার সোনা ও প্রাচীন মুদ্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

বেলজিয়ামে একটি পরিত্যক্ত মদের কারখানার পয়ঃনিষ্কাশন ড্রেনের পুরোনো পাইপ বদলের কাজ করতে গিয়ে প্রায় ৯ মিলিয়ন ইউরো বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২৭ কোটি ৬৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের সোনা ও মূল্যবান প্রাচীন মুদ্রার সন্ধান পেয়েছেন নির্মাণশ্রমিকরা।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানী ব্রাসেলস থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সেন্ট-গিলিস-ডেন্ডারমন্ড এলাকায় পুরোনো ড্রেনেজ পাইপ পরিবর্তনের কাজ চলছিল। সেখানে গ্রীষ্মকালীন কর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন ১৮ বছর বয়সী কোবে। খননকাজের সময় তিনিই প্রথম মাটির নিচে থাকা মূল্যবান সম্পদের সন্ধান পান।

বেলজিয়ামের টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ভিটিএমকে কোবে জানান, প্রথমে মাটির মধ্যে কয়েকটি মুদ্রা দেখতে পান তিনি। সেগুলো দেখে তিনি ও তার সহকর্মীরা প্রথমে ভেবেছিলেন, এগুলো হয়তো এক ইউরোর সাধারণ মুদ্রা। পরে তারা একটি সোনার বার দেখতে পান।

এরপর আরও খনন করলে বিপুল পরিমাণ সোনার মুদ্রা, সোনার টুকরা এবং নম্বরযুক্ত সোনার বার পাওয়া যায়। সোনার বারগুলো একটি ব্যাগের মধ্যে রাখা ছিল। ব্যাগটি সেন্ট-গিলিস-ডেন্ডারমন্ডের একটি পুরোনো ভবনের ভূগর্ভস্থ কক্ষের ইট দিয়ে বন্ধ করা দেয়ালের ভেতরে লুকানো ছিল।

জানা গেছে, ভবনটি উনিশ শতকের শেষ দিকে মদ ব্যবসায়ী থিওফিলাস ভ্যান অ্যাশের জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল। ১৮৯৯ সালে সেখানে মদ উৎপাদন শুরু হয়। পরে ১৯৭০ সালে কারখানাটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমানে পুরোনো ভবনটি সংস্কার করে সেখানে কার্যালয় ও আবাসন তৈরির কাজ চলছে। নির্মাণকাজের সময় বিপুল পরিমাণ সোনা ও মূল্যবান মুদ্রা পাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে এলাকাটিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে।

পরে উদ্ধার করা সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ব্রাসেলসের একটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে রাখা হয়। এসব সম্পদের উৎস এবং প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণে তদন্ত শুরু হয়েছে।

পূর্ব ফ্লান্ডারসের প্রসিকিউটর কার্যালয় জানিয়েছে, উদ্ধার করা সোনা চুরি করা হয়েছিল কি না কিংবা কোনো অপরাধের সঙ্গে এর যোগসূত্র আছে কি না, তা প্রথমে খতিয়ে দেখা হবে। এরপর সম্পদের বৈধ মালিকানা নিয়ে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

সম্ভাব্য দাবিদার হিসেবে ভবনটির মালিকপক্ষ, নির্মাণকাজে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং ভ্যান অ্যাশে পরিবারের উত্তরসূরিদের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

বেলজিয়ামের আইন অনুযায়ী, প্রকৃত মালিকের দাবির জন্য পাঁচ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। এ সময়ের মধ্যে বৈধ দাবিদার পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পদের মালিকানা নির্ধারণ করা হবে।

এদিকে এত বিপুল সম্পদের সন্ধান পাওয়ায় ১৮ বছর বয়সী কোবে আশা করছেন, তিনি ও তার সহকর্মীরা এ আবিষ্কারের জন্য বড় কোনো পুরস্কার বা সম্মানী পেতে পারেন।

আন্তর্জাতিক বিভাগের অন্যান্য খবর

 Somoyer Kotha
Follow Us

হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া

নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com