ঢাকা, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
আন্তর্জাতিক রিপোর্ট :
প্রকাশিত : ০১:৫৪ এএম, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
Digital Solutions Ltd

পতাকা হাতে তালাবদ্ধ যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়লো ককোরোচ জনতা পার্টি

প্রকাশিত : ০১:৫৪ এএম, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে বিক্ষোভ, সিজেপির দুই নেতা আটক

আন্তর্জাতিক রিপোর্ট :

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে বিক্ষোভ করার অভিযোগে ককোরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই মুখপাত্রকে আটক করেছে পুলিশ। প্রতিবাদস্থল হিসেবে যন্তর মন্তরের সরকারি স্বীকৃতি বাতিলের পরদিন মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) এ ঘটনা ঘটে বলে হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস, জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা এবং দলটির জাতীয় সংগঠনবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত অজিঙ্ক শিন্ডে অন্তত ১০ জন কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করেন। এ সময় তাদের হাতে জাতীয় পতাকা ছিল। তারা ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

বিক্ষোভকারীরা ‘ভারত মাতা কি জয়’ এবং ‘জ্ঞানেশ কুমার ইস্তফা দো’ স্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ সদস্যরা তাদের আটক করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

যন্তর মন্তরে ফের প্রবেশের দাবি

আটকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে সিজেপির দুই নেতা দাবি করেন, ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে তারা যন্তর মন্তরে আবার প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছেন।

সৌরভ দাসের বক্তব্য অনুযায়ী, তাদের এই পদক্ষেপ সরকারের প্রতি একটি স্পষ্ট বার্তা। অন্যদিকে আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে এবং যন্তর মন্তর থেকেই এ দাবি আদায়ের চেষ্টা করা হবে।

তবে তাদের আটকের পর পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত বক্তব্য বা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে প্রতিবেদনে স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি।

আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না, দাবি সিজেপি প্রতিষ্ঠাতার

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের অনুমোদন বাতিলের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন। তার দাবি, প্রশাসনিক নির্দেশ দিয়ে কোনো প্রতিরোধ আন্দোলন থামিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, যন্তর মন্তরে আন্দোলন বন্ধের উদ্যোগের ফলে প্রতিবাদ আরও বিস্তৃত হতে পারে এবং দেশের বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বিকল্প বিক্ষোভস্থল নির্ধারণ

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে দিল্লি পুলিশ যন্তর মন্তরকে অনুমোদিত প্রতিবাদস্থলের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। এর পরিবর্তে রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও সিবিডি ময়দানকে বিক্ষোভের বিকল্প স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, গত জুন ও জুলাইয়ে যন্তর মন্তরে সিজেপির আন্দোলন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ওই আন্দোলনের পর সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আন্দোলনের সঙ্গে পদত্যাগের সরাসরি সম্পর্ক এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

যন্তর মন্তরের অনুমোদন বাতিলের সিদ্ধান্ত এবং সিজেপির নেতাকর্মীদের আটক করার ঘটনা ভারতে প্রতিবাদ কর্মসূচির স্থান নির্ধারণ ও রাজনৈতিক আন্দোলন নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

আন্তর্জাতিক বিভাগের অন্যান্য খবর

 Somoyer Kotha
Follow Us

হাউজ# ১৩, মেইন রোড, ব্লক-সি, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া

নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com