ঢাকা, ১০ জুন, ২০২৬
নিউজ ডেস্ক :
প্রকাশিত : ০৬:৪৩ এএম, ০৯ জুন ২০২৬
Digital Solutions Ltd

নাটোর জেনারেল হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে ধর্ষণের অভিযোগ, তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আটক

প্রকাশিত : ০৬:৪৩ এএম, ০৯ জুন ২০২৬

ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্ক :

নাটোরের ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি এক শিশুর মাকে ধর্ষণের অভিযোগে তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা হলেন অমিত (২৩), অনিল (২৩) ও প্রাঙ্গন (২৪)। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুনসুর রহমান জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের দায়ের করা অভিযোগ মামলা হিসেবে গ্রহণের পরপরই পুলিশ অভিযান শুরু করে। অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, অসুস্থ দুই বছর বয়সী কন্যাশিশুকে নিয়ে গত ৫ জুন হাসপাতালে ভর্তি হন ওই নারী। অভিযোগে বলা হয়, ৭ জুন সকালে শিশুর জন্য ওষুধ আনার কথা বলে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী অমিত তাকে ডেকে নিয়ে যান। পরে হাসপাতালের ষষ্ঠ তলায় নিয়ে গিয়ে অপর দুই সহকর্মীর সহযোগিতায় তাকে ধর্ষণ করা হয়। একই সময় ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, ৮ জুন সকালে হাসপাতালে এসে স্ত্রী ও সন্তানকে নির্ধারিত ওয়ার্ডে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে জানতে পারেন, তাদের হাসপাতালের নার্সদের ব্যবহৃত একটি কক্ষে রাখা হয়েছে। সেখানে গিয়ে স্ত্রীর কাছ থেকে পুরো ঘটনার বর্ণনা শোনেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিশুটি দীর্ঘ সময় মাকে না পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করলে নার্সরা বিষয়টি খেয়াল করেন। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে ঘটনাস্থল শনাক্ত করা হয়। খবর পেয়ে হাসপাতালের আনসার সদস্যরা সেখানে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করেন।

দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য সালাউদ্দিন বলেন, বিষয়টি জানার পর অনুসন্ধান চালিয়ে ষষ্ঠ তলার সিঁড়ির কাছে সংশ্লিষ্টদের পাওয়া যায়। পরে তাদের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে নেওয়া হয়। প্রাথমিকভাবে তারা অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে ঘটনাটি স্বীকার করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

আনসার প্লাটুন কমান্ডার মোন্নাফ হোসেন জানান, ভুক্তভোগী ও অভিযুক্তদের বক্তব্য মোবাইল ফোনে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, প্রধান অভিযুক্ত তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন এবং অন্য দুজন পুরো ঘটনা ভিডিও করেন। পরে তারাও একই ধরনের অপকর্মের চেষ্টা করেছিল, কিন্তু হাসপাতালের লোকজন চলে আসায় তারা সরে যায়।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর হাসপাতালের রোগী ও স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জাতীয় বিভাগের অন্যান্য খবর

 Somoyer Kotha
Follow Us

৪র্থ তলা, হাউজ# ২৭, রোড# ১ ব্লক# এ বনশ্রী , রামপুরা, ঢাকা।

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া

নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com

©️২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com