নিজস্ব প্রতিনিধি
অনার্স পড়ুয়া দুই ভাই ব্যবসাটা শুরু করেছিলেন স্কুল জীবন থেকে অনেকটা শখের বসে। প্রথম দিকে নিজের শখে'ই আনেন অ্যাকুরিয়াম সহ মাছ পরবর্তীতে সেই শখ থেকে শুরু হয় উদোক্তা হয়ে ওঠার গল্প, সরাসরি ফ্রার্ম থেকে, ফেসবুক পেজে নিজেদের ফ্রার্মে চাষ করা, ও আমদানি করা রঙিন মাছ বিক্রি করে পড়াশোনার পাশাপাশি এখন মাসে আয় করছেন অর্ধ লক্ষ টাকা।
শখে কিনা অ্যাকুরিয়াম রঙিন মাছের প্রতি ভালবাসা ভাল লাগা থেকে শুরু একটু বড় পরিসরে আজ সফলতার পাশাপাশি মুঘধতায় সময় কাটছে যুবক দের রঙিন মাছের ফার্মে।
শখ থেকেউ উপার্জন করা সম্ভব, উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব তা দেখিয়েছেন 'প্রতিক ফিস ফ্রাম' নবীন উদ্যোক্তা দুই ভাই। ফার্মে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ যার দাম ১০ টাকা থেকে শুরু করে কয়েক'শ টাকা পর্যন্ত।
অন্যন্য গল্পের মত শুরুর গল্পটা তেমন ভাল ছিল না তবে পরিবারের সহযোগিতায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা কে জয় করে আজ তারা তাদের উদোক্তা জীবনে সফল।
শখ থেকেউ উপার্জন করা সম্ভব, উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব তা দেখিয়েছেন রাজশাহী পবা উপজেলার কাটাখালীর মো. আবদুল আওয়াল এর ছেলে মো.প্রতিক হোসেন বড় ছেল মো. ফজলে রাব্বি। পেশায় ছাত্র রাজশাহী কলেজ থেকে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী ছোট্ট ভাই পড়ছে, ইন্জিনিয়ারিং স্বপ্ন চাকুরী করার সথে ফিস ফ্রামটি সচল রাখার। তারা দুজন সহ তাদের বাবা মিলে দেখা শোনা করেন ফ্রাম'টি।
তরুন উদ্যোক্তা মো.ফজলে রাব্বি শাহ্ বলেন, শুরুটা প্রথমত আমার ছোট্ট ভাই এর হাত ধরে শখের বসে তার নিয়ে আসা অ্যাকুরিয়াম থেকে শুরু আমাদের এ উদ্যোগ। আমাদের এ প্রতিষ্ঠানটি শুরু ২০১৮ সাল থেকে মাঝে করোনা আসায় বেচা কেনে তেমন ছিল না। সেই সময় আমরা উদ্যোগ নেই মাছ উৎপাদনের এবং উৎপাদিত মাছ আমরা সংগ্রহ করতে থাকি করোনার মধ্য ব্যবসা সম্প্রসারণ কম হলে ও পরে বারতে থাকে আমরা এখন অডার কারা মাছ সংকটে সরবরাহ করতে পাচ্ছি না তাছাড়া তেমন কোন খরচ লাগেনা বিদ্যুৎ বিল ছাড়া প্রায় মাস শেষে সব বাদে আমাদের থাকে পঞ্চাশ হাজার টাকার মত। তবে পরবর্তীতে বাড়ানোর চিন্তা আছে তবে জায়গা সংকট।
পশু পাখির জগৎ মানে নেশা নাই নেশা মুক্ত থাকা যায়। ছেলেদের এমন উদ্যোগে খুশি তাদের বাবা। মো. আবদুল আওয়াল পেশায় একজন ফার্মেসী ব্যবসায়ী, সে নিজে ও ব্যবসার পাশাপাশি সময় দেন এ ফিস ফার্মে। তিনি বলেন, ছেলেদের এমন কাজে আমি খুশি, তাছাড়া মাছ গুলো আমাকে মুগ্ধ করে আমি নিজেও সময় দেই ছেলেদের সাথে, আমার ভাল লাগে। তবে জায়গা সংকটের কারনে খামারটি বাড়াতে পাচ্ছি না।
দেশের বেকার শিক্ষিত যুবকদের জন্য আপনার বার্তা কি থাকবে। জবাবে বলেন, আমি চাই বসে না থেকে কিছু দিয়ে শুরু করা। কেউ আমাদের থেকে পরামর্শ চাইলে তাকে আমরা এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে সহ যোগিতা করব।
পবা উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর কর্মকর্তা জানান, তাদের জন্য আমারা কিছু করতে পারিনি। আমাদের কাছে যাদের চার্ট আছে, অ্যাকুরিয়াম ব্যবসার সাথে জড়িত তারা মূলত মাছ আমদানি করে খুরচা বিক্রি করে এবং পরামর্শ যাদেরর কাছ থেকে মাছ আমদানি করে তাদের থেকেই নেই। কেউ নিজে মাছ উৎপাদন করলে আমদের কাছ থেকে লাইসেন্স নিতে পারে। পরামর্শ চাইলে সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হবে।
৪র্থ তলা, হাউজ# ২৭, রোড# ১ ব্লক# এ বনশ্রী , রামপুরা, ঢাকা।
সম্পাদক
মোজাম্মেল দিলন
প্রকাশক
সবার কথা মিডিয়া লিমিটেড
সবার কথা মিডিয়া লিঃ এর একটি প্রতিষ্ঠান।
নিউজ
ফোনঃ +৮৮ ০২২২৪৪০৬০৭০
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +৮৮ ০২২২৪৪০৬০৭০
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
©২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com