তরমুজের বাড়ি রাঙ্গাবালীতে বাম্পার ফলনে তরমুজ চাষিদের মুখে ফুটলো সুখের হাসি।
তরমুজের বাড়ি বিছিন্ন দ্বীপ পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলা। তরমুজ একটি সুস্বাদু ফল, গরম যত বেশি তরমুজের চাহিদাও তত বেশি। এই রাঙ্গাবালীর তরমুজের খ্যাতি রয়েছে সারা দেশে। প্রতি বছরের মতো এ বছরও আগাম তরমুজ চাষ করেছেন এই উপজেলার কৃষকরা, এবং ফলনও হয়েছে অনেকটা।
দক্ষিণাঞ্চলে তরমুজ উৎপাদনে অন্যতম এলাকা হিসেবে পরিচিত পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলা । এখানকার তরমুজের গুণগতমান ভালো হওয়ায় সুনাম রয়েছে সারাদেশে। চাহিদার পাশাপাশি লাভজনক ফল হওয়ায় নতুন নতুন চাষিও বাড়ছে এখানে। সাধারণত ডিসেম্বরে ধান তোলার পর জানুয়ারি থেকে তরমুজের আবাদ কাজ শুরু হয়। ফলন আসে মার্চ এপ্রিলে । তবে রাঙ্গাবালী উপজেলায় ডিসেম্বরেই, তরমুজ চাষের জন্য চাষি আগাম মাঠ তৈরী করে। ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে শুরু হয় বাজারজাত । ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকার পাইকারি ব্যবসায়ীরা ট্রাকে ও নৌপথে করে তরমুজ নিয়ে যাচ্ছেন দেশজুড়ে। তবে গত বছরের চেয়ে এবছর তরমুজের ফলন ভালো হওয়ায়, ভালো দাম পাওয়ার আশা কৃষকের।
উপজেলার কাউখালী চর, পাঙ্গাশিয়ার চর, চর ইমারশনসহ বিভিন্ন চর ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ ক্ষেতজুড়ে তরমুজে৷ ক্ষেতের সমারোহ । লতায় মোড়ানো সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে তরমুজ। যতদূর চোখ যায় সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে শুধু তরমুজ আর তরমুজ। এই তরমুজ নিয়েই এখন চাষিদের স্বপ্ন আর কাজের ব্যস্ততা।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে রাঙ্গাবালীতে ৮ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ করা হয়েছে। গত বছর এ উপজেলায় তরমুজ আবাদ হয়েছে ৬ হাজার ৩৫০ হেক্টর। গত বছরের চেয়ে এ বছর তরমুজ আবাদের পরিমান হয়েছে বেশি।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে রাঙ্গাবালীতে ৮ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ করা হয়েছে। গত বছর এ উপজেলায় তরমুজ আবাদ হয়েছে ৬ হাজার ৩৫০ হেক্টর। গত বছরের চেয়ে এ বছর তরমুজ আবাদের পরিমান হয়েছে বেশি।
উপজেলার ছোটবাইশদিয়া কাউখালীর চরের তরমুজ চাষীরা সবার কথাকে জানা, ‘এ বছর ৩৫০ হেক্টরে তরমুজ চাষ করেছেন। ফলনও হয়েছে ভালো। যদি আবহাওয়া ঠিক থাকে তাহলে ৬থেকে৭ কোটি টাকা বিক্রি হবে বলে জানান এই কৃষকরা।
তারা আরও বলেন, গত বছর বিভিন্ন রোগ-বালাই থাকার কারণে ভালো লাভবান হতে পারে নাই। এ বছর প্রজেক্ট ভালো হওয়ায়, আগামী বছর প্রজেক্ট বাড়ানোর কথা জানান তারা।’
চাষিরা জানান এ বছর তরমুজের ফলন ভালো হয়েছে। আবহাওয়া যদি ভালো থাকে তাহলে তাদের বিক্রি হবে দিগুণ পরিমান অর্থে।’
তরমুজ চাষীরা আরো জানান, গত বছরের চেয়ে এ বছর তরমুজের ফলন ভালো। প্রতি বছর রোগ-বালাই থাকলেও এ বছর অনেকটাই কম। তাই তরমুজ চাষীরা গত বছরের চেয়ে লাভবান হবে বলে মনে করেন তারা। এ বছর দামও ভালো। আবহাওয়া ভালো থাকলে ভালো লাভবান হবেন চাষীরা।
রাঙ্গাবালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদ্দুজ্জামান সবার কথাকে বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে রাঙ্গাবালীতে প্রায় ৮ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। গত বছর তরমুজ চাষ হয়েছিল ৬ হাজার ৩৫০ হেক্টর। গত বছরের চেয়ে এ বছর তরমুজ চাষ বেশি হয়েছে। এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষতির শঙ্কা মাঠে দেখা যায় নাই। কোনো প্রতিকূলতা না থাকলে সাড়ে ৬০০ কোটি টাকার তরমুজ বিক্রির আশা করছেন এই কর্মকর্তা।’
৪র্থ তলা, হাউজ# ২৭, রোড# ১ ব্লক# এ বনশ্রী , রামপুরা, ঢাকা।
সম্পাদক
মোজাম্মেল দিলন
প্রকাশক
সবার কথা মিডিয়া লিমিটেড
সবার কথা মিডিয়া লিঃ এর একটি প্রতিষ্ঠান।
নিউজ
ফোনঃ +৮৮ ০২২২৪৪০৬০৭০
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +৮৮ ০২২২৪৪০৬০৭০
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
©২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com