ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার, ২০২০ || ১৩ আশ্বিন ১৪২৭
 নিউজ আপডেট:

অসহায় মানুষের পাশে মেহেদী হাসান বিপ্লব

ক্যাটাগরি : সবারকথা বিশেষ প্রকাশিত: ৬৫১ঘণ্টা পূর্বে   ৩৮৪


অসহায় মানুষের পাশে মেহেদী হাসান বিপ্লব

জেএইচএম ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) মো: মেহেদী হাসান বিপ্লব খুব অল্প বয়সে ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানী জেএইচএম ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং ব্যক্তিজীবনে অসীম সফলতার মুখ দেখেছেন। 

জানা যায়, প্রথমে সাধারণভাবে ছোট ব্যবসার মাধ্যমে জীবন যাপন শুরু করলেও কিছু দিনের মাথায় জনাব মেহেদী হাসান বিপ্লব ভারতীয় কোম্পানী জেএইচএম ইন্টারন্যাশনালকে (যার কিছু শাখা পৃখিবীর কয়েকটি দেশে রয়েছে) বাংলাদেশে ব্যবসার করার প্রস্তাব দিলে তারা বাংলাদেশ বিনিয়োগ করতে রাজি হয়। সেই সূত্রে অল্প সময়ের মধ্যে জেএইচএম ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশে তাদের বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা শুরু করে এবং ব্যাপক সফলতা অর্জন করে। যার ফলে জনাব মেহেদী হাসান বিপ্লবের জীবনেও বড় সফলতা আসে এবং তাকে কোম্পানীটির বাংলাদেশ শাখার ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবেও নিযুক্ত করা হয়। 

এরই ধারাবাহিকতায় তিনি একে একে কিছু সাইট বিজনেস বা ছোট ছোট ব্যবসা শুরু করেছেন যার সফলতাও তিনি দু-হাত ভরে পেয়েছেন। সফলতা যখন পাচ্ছেন তখন কাউকে দিতে তো কোন সমস্যা নেই, সেই চিন্তাধারাকে মাথায় রেখে তিনি যে ছোট ছোট ব্যবসা শুরু করেছেন তার ফলে কর্মসংস্থান হয়েছে অনেকেরই। 

এছাড়া বিভিন্ন জনের ফেসবুকের মাধ্যমে ও বিভিন্ন মাধ্যমে দেখা গেছে, করোনাকালীন সময়ে তিনি নিম্ন আয়ের মানুষদের পাশে ত্রাণকর্তা হিসেবে অবির্ভূত হয়েছিলেন। তার সবগুলো অফিসের মাধ্যমে জানা গেছে, করোনাকালীন সময়ে তিনি তার আয়ের একটা বিরাট অংশ দান করে দিয়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষদের জীবনে করোনার সময় ভারসাম্য বজায় রাখতে। তার সাইট ব্যবসা কিছু বন্ধ থাকার পরও তাঁর কর্মচারীরা প্রতিমাসেই ঠিক সময়ে বেতন পেয়েছেন।  

সব অফিসের হিসাব মিলিয়ে দেখা গেছে, করোনাকালীন সময়ে তিনি তার আয়ের প্রায় ৫০-৭০ শতাংশ ব্যয় করেছেন ম্যধবিত্ত, নিম্ন আয়ের মানুষদের জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং অফিস কর্মচারীদের সহযোগীতার মাধ্যমে ব্যয় করেছেন। যার যেখানে যা প্রয়োজন হয়েছে তিনি তা করেছেন।  

এই বিষয়ে জনাব মেহেদী হাসান বিপ্লব বলেন, আমি জীবনে যা কিছু করেছি মন দিয়ে করার চেষ্টা করেছি। যার সফলতাও আমি দু-হাত ভরে পেয়েছি। ফলে যতটুকু পেরেছি মানুষের উপকার করার চেষ্টা করেছি। টাকা তো মানুষ কবরে নিয়ে যেতে পারে না। যা আয় করেছি সেই আয়ের কিছু অংশ মানুষকে এখন দান করার চেষ্টা করছি। কিন্তু ভবিষ্যতে আমার ইচ্ছা আরও অনেক বড়। যাতে জীবনের অর্জিত সকল অর্থ মানুষের জন্য দান করে যেতে পারি। 

তিনি জানান, আগামীতে রাস্তায় টোকাইদের পড়ালেখার জন্য তিনি একটি এতিমখানা চালু করবেন। যাতে তিনি আজীবন রাস্তার খেতে না পাওয়া ছেলেমেদের জীবনে শিক্ষার আলোর পাশাপাশি তাদের কর্মজীবনের ব্যবস্থা করতে পারেন।  এছাড়াও এরকম আরও অনেক এরকম চিন্তাধারা নিয়ে তিনি একটি ফাউন্ডেশন চালু করবেন। যাতে দেশের নিম্ন শেণীর মানুষদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন।

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন: