ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার, ২০২০ || ১৩ আশ্বিন ১৪২৭
 নিউজ আপডেট:

""নেইমারদের হারিয়ে বায়ার্নের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়""

ক্যাটাগরি : খেলা প্রকাশিত: ৮৩৭ঘণ্টা পূর্বে   ৪৯


""নেইমারদের হারিয়ে বায়ার্নের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়""

 

ক্রীড়া প্রতিবেদক: চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে, লিসবনে গতকাল রাতে কিংসলে কোমানের একমাত্র গোলে পিএসজিকে হারিয়ে ২০১২-১৩ মৌসুমের পর আবারও ইউরোপ সেরার ট্রফি জিতল বায়ার্ন মিউনিখ। 
আক্রমণাত্মক ফুটবলে অদম্য হয়ে ওঠা বায়ার্ন চলতি মৌসুমে সম্ভাব্য সবকটি শিরোপাই ঘরে তুলল। ২০২০-এ কোনো ম্যাচ না হারা দলটি এই নিয়ে টানা ২১ ম্যাচ জয়ের পথে উঁচিয়ে ধরল বুন্ডেসলিগা, জার্মান কাপ ও এই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা।  


ফাইনালে আক্রমণভাগে ছন্দে থাকা দারুণ সব ফরোয়ার্ড থাকার পরও প্রথমার্ধে খুব ভালো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি বায়ার্ন ও পিএসজি‌ কোনো দলই। প্রথমার্ধের সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে বায়ার্ন ডিফেন্ডার জেরোমে বোয়াটেং এর চোট। ব্যাথা পেয়ে খুড়িয়ে মাঠ ছাড়েন এই ডিফেন্ডার, তার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন নিকলাস সুলে।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে মাঝমাঠের বাইলাইনে নেইমারকে বায়ার্নের জিনাব্রি অহেতুক ফাউল করলে দু'পক্ষের মাঝে উত্তেজনা ছড়ায়। জিনাব্রি ও পিএসজির লেয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি।
গোছানো এক আক্রমণে ৫৯তম মিনিটে এগিয়ে যায় বায়ার্ন। জসুয়া কিমিচের ক্রসে লাফিয়ে কোনাকুনি হেডে ঠিকানা খুঁজে নেন কোমান।
ইউরোপের ক্লাব সেরার মঞ্চে এটি জার্মান চ্যাম্পিয়নদের ৫০০তম গোল। তাদের আগে এই মাইলফলক ছুঁয়েছে কেবল দুই স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা। পরবর্তীতে আর কোনো দল গোল করতে না পারায় প্রথমবার ফাইনালে উঠে হারের বেদনা নিয়ে মাঠ ছাড়ে টমাস টুখেলের দল। ১-০ গোলের জয়ে ট্রেবল জয়ের উচ্ছ্বাসে মাতে বায়ার্ন।

ক্লাবের সমৃদ্ধ ইতিহাসে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ‘ট্রেবল’ জিতল মিউনিখের দলটি। প্রথমবার তারা জিতেছিল ২০১২-১৩ মৌসুমে, ইয়ুপ হেইঙ্কেসের কোচিংয়ে। গত নভেম্বরে সহকারী থেকে মূল কোচের দায়িত্ব পাওয়া হান্স ফ্লিক ৯ মাসেই জিতলেন তিন-তিনটি শিরোপা। ক্লাবের ইতিহাসে জায়গা করে নিলেন দ্বিতীয় ট্রেবল জয়ী কোচ হিসেবে। 


আমি/সকডক

শেয়ার করুনঃ
আপনার মতামত লিখুন: