ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির চেয়ারপারসন ও দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (সিসিইউ) রাখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে নানা জটিল রোগে ভোগার পর সম্প্রতি হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে গত ২৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
খালেদা জিয়ার এই পরিস্থিতিতে তাঁর দেশে থাকা ও বিদেশে থাকা সন্তানসহ বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা বাড়লেও, তিনি এ নিয়ে বাস্তবতা তুলে ধরে নতুন বার্তা দিয়েছেন।শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল পৌনে ৯টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তারেক রহমান লিখেন—
“বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তার রোগমুক্তির জন্য দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ আন্তরিকভাবে দোয়া করছেন।”
তিনি আরও জানান, দেশের ও বিদেশের চিকিৎসক দল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বেশ কয়েকটি মিত্রদেশ উন্নত চিকিৎসাসহ সব ধরনের সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছে খালেদা জিয়ার প্রতি জনগণ, নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দোয়া ও ভালোবাসার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি লিখেন,“জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই। মা’র সুস্থতার জন্য সবার দোয়া অব্যাহত রাখার অনুরোধ করছি।”দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে তারেক রহমানের মন্তব্য
নেতাকর্মীদের অপেক্ষা থাকা সত্ত্বেও দেশে ফেরার বিষয়ে এখনও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেই বলে জানান তিনি। তারেক রহমান বলেন—“এমন সংকটকালে মায়ের স্নেহস্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সন্তানের মতো আমারও রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতার কারণে দেশে ফেরা শুধুমাত্র আমার একক সিদ্ধান্ত নয়।”
তিনি আরও যুক্ত করেন, রাজনৈতিক বাস্তবতা অনুকূল হলে দেশে ফেরার দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটাতে তিনি এবং তাঁর পরিবার আশাবাদী।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা প্রেক্ষাপটদীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস ও চোখের জটিলতাসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। ২০২০ সালে নির্বাহী আদেশে সাজা স্থগিত করে তাঁকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর কয়েক দফা সময় বাড়ানো হলেও বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
গত বছরের গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি মুক্তি পান এবং চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান। ১১৭ দিন চিকিৎসা শেষে তিনি দেশে ফেরেন এবং নিয়মিত চেকআপের জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে যাতায়াত করছিলেন।
৪র্থ তলা, হাউজ# ২৭, রোড# ১ ব্লক# এ বনশ্রী , রামপুরা, ঢাকা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ইয়াছিন মিয়া
নিউজ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +880 1975681488
Email: sobarkothabdnews@gmail.com
©️২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || sobarkotha.com